April 20, 2026, 5:13 am

সালিশের কথা বলে ডেকে নিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত ০৩ জন গ্রেফতার ॥

প্রেস রিলিজ গত ০২/০৯/২০২৩ তারিখে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার কানাইনগর এলাকায় মোঃ বাবু (৩০) নামে এক অটো চালকের নৃশংস মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ভিকটিম “বাবু” এর সাথে আসামীদের সঙ্গে নানা বিষয়ে পূর্বশত্রুতা ছিল। গত ০২/০৯/২০২৩ খ্রিঃ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকায় ভিকটিম “বাবু” ফতুল্লার কানাইনগর বেকারীর মোড় (বক্তাবলী) পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বে-আইনী জনতাবদ্ধে আসামীগন বগি, রামদা, চাপাতি, হকিষ্টিক ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সজ্জিত হয়ে ভিকটিম বাবুর উপর আক্রমণ করে। গ্রেফতারকৃত আসামী আলাল (৪০), দেলোয়ার (৩৯) ও নাজমুল (৩৮)সহ সঙ্গীয় অন্যান্য আসামীদের সহায়তায় ভিকটিম “বাবু” এর মাথায় ও পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের আত্ম-চিৎকারে ভিকটিমের ছোট ভাই ও মামাতো ভাইয়েরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও হত্যা উদ্দেশ্যে কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী ও তার সহযোগী অন্যান্য আসামীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নতর চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে রেফার্ড করে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ০৪/০৯/২০২৩ ইং তারিখে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম মোঃ বাবু’কে মৃত ঘোষণা করেন। এ পাশবিক ও নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনাটি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

উক্ত ঘটনায় নিহত ‘‘বাবু” এর বড় বোন বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-১৬, তারিখ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ। উক্ত হত্যাকান্ডের পর হতে এজাহারনামীয় পলাতক আসামীরা কৌশলে আত্মগোপন থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন চাষাড়া মোড় এলাকা হতে ফতুল্লা থানার চাঞ্চল্যকর “মোঃ বাবু (৩০)” হত্যা মামলার জড়িত নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন কানাইনগর বক্তাবলী এলাকার আব্দুল এর ছেলে আলাল (৪০) ও দেলোয়ার (৩৯) এবং একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে নাজমুল (৩৮)’দেরকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা বর্ণিত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১,সিনিয়র সহকারী পরিচালক
মিডিয়া অফিসার সিনিয়র এএসপি মোঃ রিজওয়ান সাঈদ জিকু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানান।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা