April 20, 2026, 4:22 am

বেনাপোল কাস্টমসে যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৯ হাজার পিচ পাথর উদ্ধার

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল ইমিগ্রেশনে তাজুল ইসলাম নামে এক পাসপোর্ট যাত্রীর ব্যাগ থেকে আংটিতে ব্যবহৃত নয় হাজার পিচ ভারতীয় পাথর জব্দ করেছে কাস্টমস।

রোববার ভারত থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আসার সময় এক পাসপোর্ট যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশীর সময় ভারতীয় পাথর জব্দ করা হয়। তবে কাস্টমস কর্মকর্তারা পাথর জব্দ করে যাত্রীকে ছেড়ে দিয়েছে বলে জানা যায়। অভিযুক্ত পাসপোর্ট যাত্রী তাজুল ইসলাম চাঁদপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দীনের ছেলে।

এবিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা শাখার সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামান চৌধুরী জানান ভারত থেকে বাংলাদেশি এক পাসপোর্ট যাত্রী বেনাপোল কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এসময় যাত্রীকে দেখে সন্দেহ হলে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। ব্যাগে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা আংটিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন রঙের মোট ৯ হাজার পিচ ভারতীয় পাথর পাওয়া যায়। পরে জব্দকৃত পাথরসহ যাত্রীকে কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা