April 19, 2026, 9:22 am

জামালপুর কারাগারে বন্দী আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

জামালপুর জেলা কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জিয়াউল হক জিয়া (৬৭) মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা।

জানা যায়, দুদকের একটি মামলায় গত ১৫ জানুয়ারি তিনি গ্রেফতার হন। তিনি জামালপুরের দিকপাইত ডি.কে উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। ওই পদে থাকাকালীন শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৪ এপ্রিল তাকে কারাগার থেকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে বাংলা নববর্ষের ছুটির কারণে চিকিৎসকের স্বল্পতায় তাকে সেখানে ভর্তি করা সম্ভব হয়নি। পরে তাকে জামালপুর সদর থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।

পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জামালপুর কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা জানান, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন জিয়াউল হক জিয়া। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহে নেওয়া হলেও সেখানে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মোহাম্মদ আসাদ-স্টাফ রিপোর্টার ।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা