April 19, 2026, 1:22 pm

ভূমিকম্প পরবর্তী জরুরি সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম চালু

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ :ভূমিকম্প পরবর্তী জরুরি সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম চালু
ভূমিকম্প পরবর্তী যেকোন ক্ষয়ক্ষতির তথ্য গ্রহণ ও দ্রুত সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির–এর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এই সেবা পরিচালিত হবে।
জনগণের জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করতে কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বর সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।
জরুরি কন্ট্রোল রুমের নম্বর: +880 1700-716680
ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য, আটকা পড়া ব্যক্তি, ঘরবাড়ির সমস্যা বা যেকোন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বিষয়ে সাধারণ মানুষ এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জরুরি মুহূর্তে দ্রুত সাড়া ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা