April 20, 2026, 2:59 am

বেতন বাসার বিদ্যুৎ বিলের সমপরিমাণ,এত সম্পদ আসলো কোথা থেকে?

৩০ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারীর ৬ টি ফ্লাট ৩০ লক্ষ টাকার গাড়ি, বাসায় ২০ লক্ষ টাকার মালামাল।

বাসায় দুইটি এসি,বিশাল দুইটি ফ্রিজ, আই পি এস, সহ তার বাসার বিদ্যুৎ বিল যা আসে তার বেতনের সমপরিমাণ। এবং তার যে গাড়ির চালক তার বেতনও মাসুদের বেতনের সমপরিমাণ, তাহলে এত সম্পদ করল কিভাবে? সংসার খরচ চালায় কিভাবে?

আসুন পরিচয় করিয়ে দেই এতক্ষণ যে গুণধর ব্যক্তির কথা শুনলাম ।

তিতাসগ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের নারায়ণগঞ্জ তিতাস গ্যাস ফতুল্লা শাখার হিসাব সহকারী মাসুদুল করিম মিন্টুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুনীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পত্তির মালিকসহ কোটি কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০০০ সালের দিকে মাস্টার রুলে চাকরি পেয়ে সোনারগাঁও তিতাস অফিসে যোগ দেন। মাদকাসক্ত হওয়ার কারনে সাময়িক বহিষ্কার হন। পরবর্তীতে ৬ মাস চিকিৎসা নিয়ে পুনরায় চাকরিতে যোগ দেন ধানমন্ডি তিতাসগ্যাস অফিসে।সেখান থেকে বদলি হয়ে নারায়ণগঞ্জ তিতাস অফিসে যোগ দান করেন। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শাখায় একটানা অনেক বছর চাকরি করার সুবাদে এবং সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং এলাকায় বাসা থাকার কারণে অবৈধ সংযোগকারীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন মাসুদ।

ফতুল্লা এবং সিদ্ধিরগঞ্জের হাউজিং এলাকায় বাসা বাড়িতে ,মিল কারখানায় তিতাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা। আর সেই সকল অনিয়ম দুর্নীতির টাকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের হাউজিং আবাসিক এলাকায় ৪ নং রোডে গজারিয়া ভবনে একটি আলিশান ফ্ল্যাট সেখানেই সপরিবার নিয়ে থাকেন তিনি যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা, চরেন ৩০ লক্ষ টাকা দামের এক্স জিও গাড়িতে যার নং ঢাকা মেট্রো গ ৩৭৪৩১৫, বাসায় দুইটি এসি, সাত নাম্বার রোডের পুকুরপাড় জালাল টাওয়ারে দুটি ফ্লাট যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য এক কোটি টাকা।

৯ নম্বর রোডের সামনে নতুন ভবন কাজ চলমান১৫ লাখ টাকার একটি শেয়ার ।

পাঁচ নাম্বার রোডের শেষ মাথায় একটি শেয়ার।একটি এন এস পালসার মোটরসাইকেল যার মূল্য ২ লক্ষ টাকা। ১০ বছর আগেও ভাড়া থাকতেন হাউজিং এলাকায়। চুক্তিভিত্তিক মাস্টার রোলে ডেলি বেসিক চাকরি করে কয়েক বছরের ব্যবধানে অঢেল সম্পত্তি সহ কোটি কোটি টাকার মালিক।দশ বছর আগে স্ত্রী তনুজা আফরোজ চন্দ্রদ্বীপ কিন্ডারগার্টেন নামে একটি স্কুলে চাকরি করতেন তিনি এখন স্বামীর অবৈধ উপার্জনের টাকায় ৩০ লক্ষ টাকার গাড়িতে চলাফেরা করেন।১০ লক্ষ টাকার ১টি শেয়ার বিক্রি করেন ১ বছর আগে।

হাউজিং এলাকায় বসবাস করার কারনে এলাকার সবার সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন সেই সম্পর্ক কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে তিতাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।

ছাত্র আন্দোলনের আগে হেড অফিসে বদলি হলেও কিছু দিন সেখানে থেকে ফের যোগদান করেন ফতুল্লায়। একাধিক বাসিন্দা জানান মাসুদ ফতুল্লা এসেই হাউজিং এলাকায় অভিযান চালায় নিজের পকেট ভারি করার জন্য।

তার সম্পত্তির হিসাব ও ব্যাংকের হিসাব নিলে বেরিয়ে আসবে আসল রহস্য। মাদক সেবনের কারনে চাকরি গেলেও এখনো শোধরায়নি বাংলা একটা প্রবাদ আছে ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙ্গে ঠিক তেমনি মাসুদুল করিম মিনটু তার পুরনো মাদকের নেশায় এখনো আসক্ত তারই ধারাবাহিকতায় গভীর রাতে তার বাড়ির ছাদে ইয়াবা ও গাজা সেবন করেন তিনি। মাসুদুল করিম মিন্টু কে ডোপ টেস্ট করলেই বেরিয়ে আসবে তার মাদক সেবনের আসল রহস্য।

এ ব্যাপারে মাসুদুল করিম মিন্টুর মুঠোফোন একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নারায়ণগঞ্জ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির ডিএমডির ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।

।।।।।আরো জানতে চোখ রাখুন আগামীর সংখ্যায়।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা