August 20, 2026, 12:58 pm

সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলার পর যুবদল নেতার ক্ষমা প্রার্থনা

সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলার পর যুবদল নেতার ক্ষমা প্রার্থনা

বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় উপজেলা যুবদল নেতা কামরুল হাসান বাবু লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি ভাঙচুর করা স্টেশনের কম্পিউটারও মেরামত করেছেন, ফলে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে পুনরায় কাজে ফিরেছেন রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সোনাতলা রেলস্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় নেতাদের মধ্যস্থতায় এক সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কামরুল হাসান বাবু একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা দেন।

অঙ্গীকারনামায় যুবদল নেতা উল্লেখ করেন, বুধবার দুপুরে রেলওয়ের জায়গায় টয়লেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণ ও রেলস্টেশনের কর্মীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়। এ থেকে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে, যা তিনি অযৌক্তিক উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি ভবিষ্যতে রেলস্টেশনে কর্মরত কারও সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না বলেও অঙ্গীকার করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওঠে, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কিছু নেতাকর্মী স্টেশন মাস্টারসহ সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারধর করেন এবং বুকিং কাউন্টারের একটি কম্পিউটার ভাঙচুর করেন। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে কর্মবিরতির ডাক দেন তারা।

এদিকে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া জানান, রেলওয়ের জায়গায় টয়লেট নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা তাদের ছিল না। স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ঠিকাদারের মাধ্যমে ওই জায়গায় কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করার পর প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে।

স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয় নেতাদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা হয়েছে। ভাঙচুর হওয়া কম্পিউটারটিও রাতেই মেরামত করা হয়েছে, ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন এবং স্টেশনের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা