পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি :
প্রায় ৩৫ বছর আগে স্বামীকে হারিয়ে হতভাগী সোনাভান ৩ ছেলেকে একাই লালন-পালন করে বড় করেন। স্বামীর ভিটে-মাটি ছেলেদের নামে লিখে দিয়েছেন। অথচ বার্ধক্যে এসে সেই সন্তানদের কাছ থেকেই পাচ্ছেন অবহেলা, অপমান আর নির্যাতন। এমনকি নিজ হাতে লাগানো সবজি গাছও রেহাই পায়নি ছেলে ও তাদের বউয়ের রোষ থেকে।
ঘটনাটি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের কাঁকড়া পিংলু গ্রামের বিধবা সোনাভান বেগম (৭০)।
৩৫ বছর পূর্বে স্বামী আজগর মণ্ডল মারা যাওয়ার পর থেকে সোনাভান ছেলে আলিম, আলেম ও ছালেমকে লালন-পালন করে বড় করেন এবং তাদের বিয়ে দেন। স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছেলেদের মাঝে ভাগ করে এবং আলাদা বাড়িও করে দেন। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া সোনাভান বেগম এখন ছেলেদের বাড়িতেই একপ্রকার পরগাছা। স্থানীয়রা বলেন, ছেলেরা বাবার সম্পত্তিগুলো বউদের নামে দেওয়ায় ছেলেরা মায়ের কথা শোনে না, বউ যা বলে তাই শোনে। নানা অজুহাতে গর্ভধারিণী মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। প্রায় সময় তারা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে। গত মঙ্গলবার বাড়ির পাশের ফাঁকা জায়গায় বাঁশের জাংলায় সোনাভানের লাগানো সবজি গাছ কেটে নষ্ট করে ছেলে ও তাদের স্ত্রী সম্পা ও রেশমা। নিরুপায় হয়ে প্রতিকারের আশায় পাঁচবিবি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সোনাভান বেগম।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তামবিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।