কামাল উদ্দিন আহমেদ :
২০২৪ বাংলাদেশকে আওয়ামী লীগের পরিবর্তে ডক্টর ইউনূসের নেতৃত্বে কিছু বিদেশী নাগরিককে রাষ্ট্রক্ষমতা দিয়েছে। যারা ক্ষমতায় আসীন হয়েছে তোরা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং একাত্তরের পরাজিত পাকিস্তানের তাবেদার। তারা সাম্রাজ্যবাদের হাতে তুলে দিয়ে ভিন্ন কৌশলে পালিয়েছে। একটা নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বিএনপি পৌঁছে গেল রাষ্ট্রক্ষমতায়। আর বিরোধীদলের চেয়ারে বসলো একাত্তরের পরাজিত জামাত।
আমরা দেখলাম, গত ৫৫ বছরে দলীয় সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় স্বার্থে, পরিবারের স্বার্থে ব্যবহার করার ব্রিটিশ – পাকিস্তানি উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা এবং আইন – কানুনের ঐতিহাসিক মজা ছাড়তে পারেনি। ঘুরেফিরে দেশের দশা হয়েছে – ‘ যে লাউ, সেই কদু ‘।
২০২৪ হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী মেয়েটি কুলাস। এই মেয়েটিকুলাস এর ভেতর থেকে একদল কোমরে গামছা বেঁধে নেমে পড়ে ধর্মীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজে। তারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে দাঁড় করাতে চেয়েছে ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে। ধানের নামে যারা অধর্মই করে তারা ২৪ কে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে দাঁড় করানোর মধ্য দিয়ে তাদের কু যাত্রা শুরু করে ।এজিদি মতালম্বিরা কয়েকশো মাজার ভাঙলো , ওরসে হামলা করল , নারীদের রাজনৈতিক – সাংস্কৃতিক উত্থানে নেক্কারজনকভাবে বাধা দিল ,মুক্তিযুদ্ধের দর্শনে বিশ্বাসীদের আওয়ামী দোসর আখ্যা দিয়ে নানা জায়গায় আক্রমণ ও করল । বর্তমানে চলছে রাজনীতির পক্ষ – বিপক্ষের অশ্লীল বাক্য বিনিময় ।দলীয় নেতৃত্ব কিংবা সংসদ রয়েছে কোটিপতিদের দখলে ।বর্তমান সংসদে ৭৯ ভাগ নতুন সংসদ সদস্য কোটিপতি ।এরা জীবনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি বইও পড়েছে বলে মনে হয় না ।
২০২৪ দেশকে দিয়েছে ব্রিটিশদের রাজনৈতিক কুটু কৌশল ।১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা বুঝতে পারলো ভারত বর্ষ শাসন করতে হলে এদেশে হিন্দু – মুসলমানের মধ্যে ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করতে হবে ।তাড়াতাড়ি করল ।ঠিক একইভাবে একদল ২৪ এর পর দেশের নাগরিকদের ধর্মীয় ও জাতিগতভাবে পরস্পরের বিরুদ্ধে লাগিয়ে রেখে পুরনো উপনিবেশিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাই সুরক্ষিত রাখছে ।
২০২৪ এই এছাড়া বাংলাদেশকে কি বা দিতে পারলে ?