মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান বলেছেন, দেশের সমৃদ্ধি ও জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে একাত্তরে যাদের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল, তাদের জাতির কাছে অকপটে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যারা দাঁড়িয়েছিলেন, তাদের এই বিষয়টি স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রকে ধারণ করতে হবে।
১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে অনুষ্ঠিত সভার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে জেনারেল এম এ জি ওসমানী সভাপতিত্ব করেন এবং তৎকালীন মেজর জিয়া দুটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সভার স্মৃতি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং নামফলক স্থাপনের কাজ চলছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের অবদান ও ত্যাগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দেয় এবং যারা অখণ্ডতা রক্ষায় লড়াই করছেন, তাদেরও সম্মান জানানোর বিষয়ে কাজ করবে।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ অনুষ্ঠানে বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তিনি মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে জাতির জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।