April 20, 2026, 5:16 am

খুলনায় ডিবি পুলিশের হাতে সাত কেজি হরিণের মাংসসহ একজন গ্রেফতার

শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা) খুলনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাত কেজি হরিণের মাংসসহ নুর ইসলাম গাজী (৪৩) কে গ্রেফতার করেছে। গত বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বটিয়াঘাটা থানার গজালমারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সে পাইকগাছা থানার সরল গ্রামের মৃত কাশেম গাজীর ছেলে।

খুলনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ মোঃ নিজাম উদ্দীন মোল্যার নেতৃত্বে এস শেখ ইমরুল করিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে বটিয়াঘাটা থানার গজালমারী গ্রামের জনৈক মনিরুল ইসলামের খাবারের হোটেলের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে ৭ কেজি হরিণের মাংসসহ নুর ইসলাম গাজী (৪৩) কে গ্রেফতার করে। মাংস উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই শেখ ইমরুল করিম বাদী হয়ে বটিয়াঘাটা থানায় বন আইন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে আসামির বিরুদ্ধে একটি প্রতারণা মামলা রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা