শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা) যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২২ কেশবপুর ০৮ নম্বর ওয়ার্ডে পুলিশের কঠোর নজরদারিতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ভোট গ্রহণ হওয়ায় সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ আজিজুল ইসলাম (খন্দকার আজিজ)।
সোমবার (১৭ই আক্টোবর) কেশবপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকাল ৯ টা থেকে শুরু করে দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা পরিষদের নির্বাচনে কেশবপুর উপজেলায় ১১ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা মিলে মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ১৫৯ জন। পুরুষ ভোটার ১২২ জন এবং নারী ভোটার ছিলেন ৩৭ জন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৫৮ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। শুধুমাত্র একজন পুরুষ ভোটার ভোট প্রয়োগ করেননি।
কেশবপুর ০৮ নং ওয়ার্ডে চেয়ারম্যান পদে সাইফুজ্জামান পিকুল (ঘোড়া প্রতিক) নিয়ে ৯৬ ভোট, মারুফ হাসান কাজল (আনারস প্রতিক) ৫৯ ভোট পেয়েছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে তাসরিন সুলতানা শোভা (ফুটবল প্রতীক) ৮৫ ভোট, নাদিরা বেগম (মাইক প্রতীক) ৪৪ ভোট ও রুকসানা ইয়াসমিন পান্না (দোয়াত কলম প্রতীক) ২৮ ভোট পেয়েছেন। সদস্য পদে কেশবপুর উপজেলায় ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এদের মধ্যে মোঃ আজিজুল ইসলাম খন্দকার আজিজ (হাতি প্রতীক) নিয়ে ৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোঃ সোহরাব হোসেন (তালা প্রতীক) ৫৩ ভোট পেয়েছেন। অন্যদের মধ্যে এস এম মহব্বত হোসেন (আটো রিক্সা প্রতীক) ২৩ ভোট, সাংবাদিক সাঈদুর রহমান সাঈদ (টিউবয়েল প্রতীক) ১৯ ভোট, জাকির হোসেন মুন্না (বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক) ৪ ভোট, মাসুদুজ্জামান মাসুদ (উট পাখি প্রতীক) ১ ভোট এবং নজরুল ইসলাম খান (ঘুড়ি প্রতীক) ০ ভোট পেয়েছেন।
জেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সকল ভোটাররা তাদের স্ব-স্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জেলার সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যশোর জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম(বার), পিপিএম এঁর কঠোর দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় জেলা পরিষদের নির্বাচনে ০৮ নং ওয়ার্ড কেশবপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনের ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সুপারের দিক-নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার (মনিরামপুর সার্কেল) আশেক সুজা মামুন ও কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন সহ নিয়োজিত সকল পুলিশ সদস্য বিশৃঙ্খলা রুখতে ব্যাপক নজরদারি ও নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারই পাশাপাশি ভোট কেন্দ্রে এবং কেন্দ্রের বাহিরে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত প্রত্যেক পুলিশ অফিসার ও সদস্য অত্যন্ত ন্যায়-নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে পুলিশ বাহিনীর সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন।
এছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি মোকাবেলায় যশোর র্যাব-৬ এর অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ, জেলা ডিবি পুলিশ, ডিএসবি, এনএসআই এর কর্মকর্তাবৃন্দের উপস্থিতিতে তাদের কঠোর নজরদারি ও ব্যাপক তৎপরতায় কোন প্রকার বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি দেখা যায়নি।
তবে, এ উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ ও পুলিশের কঠোর ভুমিকায় ভোটারদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করায় ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করতে পেরে অনেকেই প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।