April 20, 2026, 5:06 am

৩৫ মামলা ও এক সময়ের ক্রসফায়ার লিস্টেড আসামি হতে চায় গাজীপুরের নগর পিতা

স্টাফ রিপোর্টার: বেশেবুশে চেহারা সুরতে তিনি হাফেজ সাব উপরে সাদা ভিতরে ময়লায় ভরা তিনিই গাজীপুর এলাকার এক আতঙ্কের নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল ওরফে লাদেন মামুন।ছাএলীগ থেকেই তার সন্ত্রাসী জীবন শুরু । কাউন্সিলর হওয়ার পর আর তাকে ঠেকায় কে।

সদস্য বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ লিখে পেসটুন ও রয়েছে সন্ত্রাসী মামুন মন্ডলের
তথ্য সুত্রে জানা যায় গাজীপুরের বিভিন্ন থানায়। ধর্ষণ, চাঁদাবাজি,হত্যা,গুম সহ প্রায় ৩৫ টির ও বেশি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বর্তমানে গাজীপুর সিটি কপোরেশনের ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন মন্ডল এই কাউন্সিলর নিয়েও আছে আলোচনা সমালোচনা।নির্বাচনের দিন প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্র দখল করে নিজের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে। নির্বাচিত হয়েছেন তিনি ।

জানাযায় দলিয় কিছু বড় ভাই দের মেনেজ করেই মামুন মন্ডল চালাচ্ছে তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড মালেকের বাড়ি, কামারঝুরি, সাইনবোর্ড, হাড়িকেন,সহ বিভিন্ন রপ্তানিমূখী শিল্প কল কারখানা থেকে মাসিক চাঁদাবাজি করেন তিনি।বাস স্ট্যান্ড, অটো স্ট্যান্ড, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প,,ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যে তাকে চাঁদা না দিতে হয়।তার এলাকায় জমি কিনতে গেলেও দিতে হবে চাঁদ।

এক সময়ের ক্রসফায়ার লিস্টেড আসামি মামুন মন্ডলের সাথে একটি সেলফিতে দেখা যায় একজন এমপি কে। নাম না জানানোর শর্থে একজন ব্যবসায়ী বলেন তার নির্যাতনের শিকার হয়ে অনেক বড় বড় ব্যবসায়িরা এলাকা থেকে ব্যবসা ছেরে চলে গেছে। প্রতিমাসে ১০ লক্ষ টাকা তাকে চাঁদা দিতে হবে নয়তো তার এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে।

আগের ইতিহাস খুজলেই তার আসল রুপ বেড়িয়ে আসবে।মানুষ হত্যা করতে সামান্য হাত কাপেনা মামুন মন্ডলের। এই চাঁদাবাজি করে তুলেছেন বিশাল সম্রজ্য।আলিশান গাড়ি, বাড়ি। রাস্তায় বেড় হলেই মানুষ বুঝতে পারে মামুন মন্ডল আসছে।বিশাল গাড়ি বহর সাথে ১শ দেড়শ হুন্ডা নিয়ে বেড় হন তিনি।

অনেক মানুষ তার ভয়ে মুখ খুলতেও ভয় পায়।নিজ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য গড়ে তুলেছেন বিশাল এক সন্ত্রাসী গ্রুপ।যাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে গাজীপুরের বিভিন্ন থানায়।কিছুূদিন আগেও গা ঢাকা দিয়েছিলো মামুন মন্ডল।তবে বর্তমান তিনি নগর পিতা হতে চাচ্ছেন বলেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

এ নিয়ে গাজীপুর পাড়া মহল্লায় লোকমুখে শোনা যাচ্ছে, কাউন্সিলর হয়েই তিনি যে এলাকাবাসীকে যে নির্যাতন করেছে। মেয়র হয়ে গেলে মানুষ তার ভয়ে ঘর থেকেই বেড় হতে পারবে না।গাজীপুরকে তৈরী করবে এক অপরাধের সাম্রাজ্য। গাজীপুর বাসীর দাবী মামুন মন্ডলকে তারা আর জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় না।

তবে মামুন মন্ডলের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয় টি মিথ্যা বানোয়াট, তবে জাহাঙ্গীর সাব যদি খমতা ছারে আমি ভারপ্রাপ্ত মেয়র হতে চাই । তিনি আরো বলেন আমার এখন মাত্র ৫টা মামলা আছে এ গুলো প্রতিপক্ষের মিথ্যা মামলা।

সুত্র বিবিসি নিউজ ২৪.নিউজ

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা