April 20, 2026, 12:51 am

মহেশপুরে স্বামী শাশুড়ীর অত্যাচারে গৃহবধুর মৃত্যু, দু’জনকে পুলিশে সোপর্দ

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউপির সলেমানপুর হটাৎ পাড়া গ্রামে বহুল আলোচিত ও বহু অপকর্মের হুতা ঘাতক সুফিয়া খাতুন ও তার ছেলে আজিজুল হক স্ত্রী লিমা খাতুনের হত্যার অপরাধে এলাকাবাসী তাদেরকে আটক করে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন। ময়না তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে মহেশপুর থানায় রাখা হয়েছে। নেপা ইউপি সদস্য সায়রা খাতুন জানান বিয়ের পর থেকে মা ও ছেলে দুজনে মিলে লিমা খাতুনকে বিভিন্ন সময় পাশবিক নির্যাতন করে আসছিলো এবং পরিকল্পিত ভাবে খাদ্যের সাথে কিছু খাওয়ায়ে এধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার দিন গত ৭ আগস্ট লিমা খাতুন প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাহারা ঢাকায় নিতে বলেন। এসময় পরিবারের লোকজন অসহায় হয়ে লিমা খাতুনকে নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। পরে লিমা খাতুনের মৃত্যু হয়।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা