May 15, 2026, 12:45 pm

ওয়াশিংটনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিকে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ওয়াশিংটন ডিসির জ্বালানি দপ্তরে (ডিওই) এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এতে স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা স্মারকটি এমন এক সময়ে স্বাক্ষরিত হলো যখন মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি সাশ্রয়ী মূল্য ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থায়িত্বের ওপর ভিত্তি করে জ্বালানি উৎসের বিকল্পগুলোকে বৈচিত্র্যময় করার মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রচেষ্টায় অবদান রাখবে এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতার নতুন পথ খুলে দেবে। সেই সাথে দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও দক্ষতার বিনিময় এবং গবেষণাকে সহজতর করবে। বাংলাদেশকে সাশ্রয়ী মূল্যে মার্কিন এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানি করতে সহায়তা করবে ।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সমঝোতা স্মারকটিকে ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী রাইট এই সমঝোতা স্মারকটিকে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই চুক্তির ফলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা