ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি তেহরানের স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় শেষ হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কোনো আশার কথা জানাননি। তাই যুদ্ধবিরতি শেষে আবার যুদ্ধ শুরুর শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এদিকে বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি ও স্থায়ীভাবে সংঘাত নিরসনে দ্বিতীয় দফার আলোচনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে এক করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। তবে এখন পর্যন্ত ফলাফল শুন্য।
সর্বশেষ গতকাল ট্রাম্প জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধিদল সোমবার পাকিস্তানে পৌঁছাবে। তবে শেষ খবর, এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের উদ্দেশে রওয়ানা দেননি ভ্যান্স।
ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের দ্বিতীয় দফার আলোচনা ঘিরে ইসলামাবাদে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করেছে পাকিস্তান সরকার। বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর বিশ্বস্ত মিত্র পাকিস্তান এখন ‘ইউনিক অবস্থানে’ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও পাকিস্তান ইরানে ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
আবার ইরান যখন সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে হামলা চালায় এর পরিপ্রেক্ষিতেও পাকিস্তান তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় বিবৃতি দেয়।
সৌদি আরব পাকিস্তানের সামরিক মিত্র। গত বছর পাকিস্তান ও সৌদি আরব পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। তাই দেশ দুইটির একটিতে কেউ হামলা চালালে উভয় দেশে আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং এর জবাবে উভয় দেশই পালটা ব্যবস্থা নেবে বলে অঙ্গীকার করেছে।
এনিয়ে বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ভেস্তে গেলে তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান।