April 19, 2026, 5:05 pm

সিমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।:লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিতে সবুজ মিয়া (৩০) নামে এক বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোররাতে জগতবেড় ইউনিয়নের শমসেরনগর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সবুজ মিয়া(৩০) জগতবেড় ইউনিয়নের পঁচাভান্ডার গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, তিস্তা ব্যাটালিয়ন ৬১ বিজিবি আওতাধীন শমশেরনগর সীমান্ত পিলার ৮৬৪/৫ এর বিপরীতে ১৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কেনাকাটা ক্যাম্পের ভারতীয় অংশে ৩০ গজ অভ্যন্তরে কেনাকাটা নামক স্থানে গরু পাচারকারীদের উদ্দেশ্যে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ( বিএসএফ) বিএসএফ গুলি করলে পাচারকারীদের মধ্যে ১ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের কয়েকজন গরু পারাপারের উদ্দেশ্যে ভারতীয় অংশের কেনাকাটা নামক সীমান্তে অনুপ্রবেশ করলে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে ঘটনাস্থলে সবুজ মিয়ার মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির লাশ

ভারতের অভ্যন্তরে পড়ে রয়েছে বলে জানা যায়। অন্যরা পালিয়ে গেলেও তাদের হতাহতের বিষয়ে কোন কিছু জানা যায়নি। এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা