April 19, 2026, 6:48 pm

পাঁচবিবিতে জোড়পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি : ০৩ ডিসেম্বর/২৫ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে জোড়পূর্বক জমি দখল ও বেড়া নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিকারের উপায় হিসাবে ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশ এসে উভয় পরিবারের মধ্যে সমাধানের পথ বের করে দেয়। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার বাগজানা ইউপির ঘোড়াপা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আবুল খায়ের পুত্র আবু ইউসুফের সঙ্গে ৫৬’শতক জমি নিয়ে মৃত মিজানুরের পুত্র সামছুল আলম, বেলায়েত হোসেন, নাসিমা বেগম ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বানিহারার রফিকুল এবং মনোয়ারা বেগমের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে প্রতিপক্ষরা গত ১৯’নভেম্বর জমি দখলের চেষ্টা করে। এসময় তারা জমিতে লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির ৫টি গাছ কেটে ৪’লক্ষ টাকার ক্ষতি করে। বাধা দিতে গেলে তারা মারপিট করায় থানায় সাধারণ ডাযেরীও করা হয়।
গত সোমবার আবারো দলবদ্ধ হয়ে জোড়পূর্বক জমি দখল করে বেড়া দিতে গেলে জরুরী সেবায় ফোন দিয়ে পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করে দেন। প্রতিপক্ষের সামছুল বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। এতদিন তারাই ভোগদখল করে আসছিল আমাদের জমি ঘিরে নিচ্ছি।

পাঁচবিবি থানার এসআই আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন, জরুরী সেবার ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষকে নিজ নিজ কাগজপত্র সহ থানায় ডাকা হয়েছে। সঠিক কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা