জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ গড়ে তোলার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতিসংঘকে দেখতে চায়। বৃহস্পতিবার দেওয়া এই ভাষণে তিনি রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার নেতিবাচক প্রভাব কমবেশি সব রাষ্ট্রেই পড়ে। এই বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, যেকোনো সংঘাত নিরসনে আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই একমাত্র কার্যকর পথ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ তাকে পূর্ণ সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তিনি বিদায়ী সভাপতি এনালেনা বেয়ারবককেও তার সুযোগ্য নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানান।
ভাষণের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদান বিনম্রচিত্তে স্মরণ করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতিও তিনি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে আরও জানান, ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে দেড় দশকেরও বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের ফলে বাংলাদেশ বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত।