বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দেশে দৈনিক বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। তবে গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ঝড়বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে কিছুটা বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে এবং চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। গতকাল জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের (বিএনপি দলীয়) সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী।
ঢাকা-১ আসনের খোন্দকার আবু আশফাকের প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট হতে ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট থেকে ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমরা লোডশেডিং বলি আর মেরামত শেডিংই বলি গ্রামাঞ্চলে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, এটাই হলো বাস্তবতা। মন্ত্রীর কাছে আমার বিনীত প্রশ্ন, মন্ত্রী এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে আমাকে কথা দিয়েছিলেন যে, পহেলা মের মধ্যে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজারে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে। এর পরে আরও এক মাস তিন-চার দিন পার হয়ে গেছে, এখনো আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজারে গ্যাসের সংযোগ কিন্তু এখনো আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজারে গ্যাসের সাপ্লাই আমরা পাইনি।’