এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ :শত ব্যস্ততার মাঝেও থেমে নেই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির এর মানবিক কার্যক্রম। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে দিন–রাত প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করে তিনি অসহায় মানুষের দুঃখগাথা কথা শুনছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
প্রায় প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন অভিযোগ সহ বিভিন্ন বিষয়ে আর্থিক সহায়তার আবেদন নিয়ে আসা মানুষের সঙ্গে নিজে সময় দিচ্ছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির। । বিভিন্ন অভিযোগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার পাশাপাশি সরকারি সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সাধ্যমতো সহায়তা দিয়ে অসহায় নাগরিকদের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন ।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি)বিকালে শারীরিক প্রতিবন্ধী জেরিন তানজুম তৈশি পিতা: মো: তানভীর জুয়েল, মাতা: যুক্তি হাওলাদার সাং-এ-৩৫৬ নয়াআটি সানারপাড়, ডাকঘর: সানারপাড়া-১৪৩০, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, আবেদনপত্রে বলেন আমি একজন শারিরীক প্রতিবন্ধি ব্যাক্তি নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজর একাদশ শ্রেনির ছাত্রী। আমার রোল: ১২০২৫২৬০২০৬১৫, বিভাগ: মানবিক, আমার বাবা একজন গার্মেন্টস কর্মী দীর্ঘ দিন ঐ কম্পানিটা বন্ধ থাকায় আমার পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।তাই আমাকে বই কেনা সেশন ফ্রি ও কিছু পড়াশুনার উপকরন কেনার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির এর কাছে ১৫০০০ টাকার জন্য আবেদন করেন।
শারীরিক প্রতিবন্ধী জেরিন তানজুম তৈশি বলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসাবে উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত হওয়া ছিল প্রায় অলীক স্বপ্ন। বাধ্য হয়েই তাই আজ জেলা প্রশাসকের শরণাপন্ন হয়েছি।
মানবিক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির শারীরিক প্রতিবন্ধী এই শিক্ষার্থীর দুর্দশা ও স্বপ্নের কথা ধৈর্যসহকারে নিজের কার্যালয়ে বসে শোনেন। পরে তিনি তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী জেরিন তানজুম তৈশির
উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির এই প্রতিবেদককে বলেন, “প্রশাসনিক কাজে আমি যত ব্যস্তই থাকি, চেষ্টা করি যেন কোনো সাহায্যপ্রার্থী নাগরিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে হতাশ হয়ে ফিরে না যান। জেলার অভিভাবক হিসেবে যে কোনো নাগরিকের পাশে থাকা আমার পবিত্র দায়িত্ব।”