নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পারিবারিক কলহের জের ধরে নদী আক্তার নামে এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর অভিযুক্ত ভাসুর রবিউল হাসান থানায় আত্মসমর্পণ করেছে। সকালে উপজেলার কুশিয়ারা এলাকার একটি নির্জনস্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। সে ওই এলাকার প্রবাসী রাসেল মিয়ার স্ত্রী ও মুন্সিগঞ্জ জেলার ইদ্রিসপুর গ্রামের শাহজাহান দেওয়ানের মেয়ে।
অভিযুক্তের বরাত দিয়ে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, নিহত গৃহবধূ নদীর পূর্বে আরো ৩টি বিয়ে হয়ে ছিল। কুশিয়ারা এলাকার প্রবাসী রাসেল তার ৪র্থ স্বামী। পরিবারের সবার সাথে প্রায়ই নদীর ঝগড়া হতো। এনিয়ে রাসেলের সাথে একবার ডিভোর্সও হয়। পরে ছোট ভাই রাসেল বড় ভাই রবিউলের জমানো ও ঋণের টাকা নিয়ে পালিয়ে প্রবাসে গিয়ে আবারো তাদের স্বামী-স্ত্রী মধ্যে সম্পর্ক হয়। তারা ঋণ পরিশোধ না করে নদী প্রবাসে যাওয়ার জন্য বড় ভাইয়ের কাছে থেকে আরও টাকা দাবি করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সকালে নদী প্রবাসে চলে যাওয়া সময় টাকা নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা পর ভাসুর থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।