জামালপুরের মাদারগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৩১ জন নেতাকর্মী নাশকতা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা আসামিদের জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে বিচারক তাদের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সরকার পতনের পর মাদারগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
মাদারগঞ্জ উপজেলার চারটি মামলায় ২৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বেলাল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য দৌলতুজ্জামান দুলাল, জয়নাল আবেদীন আয়না, শহিদুল ইসলাম, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী হিলারী এবং শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলুল পাশা সিয়ামসহ আরও অনেকে।
অন্যদিকে, বকশীগঞ্জ উপজেলার দুই মামলার আসামী ৫ জন। আসামীরা হলেন , বকশীগঞ্জ পৌর আ.লীগের আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল হাজারী, মেরুরচর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনস ও আরিফুল ইসলাম বানু, জালাল উদ্দিন ও মাজু মিয়া।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনিসুজ্জামান গামা জানান, আসামিরা একাধিক নাশকতা মামলার সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের জামিনের বিরোধিতা করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।
মোহাম্মদ আসাদ-স্টাফ রিপোর্টার ।