August 24, 2026, 3:37 pm

মোহনপুর ইউপি উপ-নির্বাচন চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম মিয়ার প্রচারনা শুরু

মতলব উত্তর ব্যুরো ঃমতলব উত্তরের মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট সেলিম মিয়া প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই ভোটারের কাছে প্রচারণা শুরু করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এডভোকেট সেলিম মিয়ার নির্বাচনী প্রতীক ঘোড়া। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু হয়েছে। ঘোড়া প্রতীক পাওয়ার পরে তিনি মোহনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরেঘুরে ভোট প্রার্থনা করেন।
এডভোকেট সেলিম মিয়া এখন ইউনিয়নবাসীর কাছে আইকন হিসেবে পরিচিত এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি জনগণের ভালোবাসা পাচ্ছেন ব্যাপক। ইউনিয়নবাসীর সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে মানব সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার মাধ্যমে ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি।
প্রতীক পাওয়ার পরে চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট সেলিম মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কথা বলতে চাই এবং আপনাদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হতে চাই। এলাকার জনগণ আমাকে নির্বাচন করতে উৎসাহ দিচ্ছেন। তাদের আশা পূরণের জন্য আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, কালো টাকা দিয়ে ভোট কেনা যায় না জনগণের ভালবাসা দিয়ে ভোট ও সমর্থন আদায় করতে হয়। আমি বিশ্বাস করি আগামী ১৬ মার্চের নির্বাচনে ইউনিয়নের সকল ভোটার তাদের দীর্ঘদিনের কাংখিত সেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেই জনতার রায়ের সত্যিকারের প্রতিফলন ঘটাবে ইনশাআল্লাহ। হুমকি ধমকি দিয়ে জনতার ভোটাধিকার হরন করা যাবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা