August 24, 2026, 3:39 pm

আওয়ামীলীগকে শেষ করতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা ও শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যার চেষ্টা করছে বিএনপি-জামায়াত : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

মমিনুল ইসলাম:-সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস নৈরাজ্য ও দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার প্রতিবাদে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর বাজারে বিক্ষোভ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকেলে দুর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভ মিছিল ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।
তিনি বলেন, দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিএনপি অশান্ত করার পাঁয়তারা করছে। তারা যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের এহেন ষড়যন্ত্রের সমুচিত জবাব রাজপথে মোকাবিলা করবে আওয়ামী লীগ। আ’লীগকে শেষ করতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ তার পরিবারকে হত্যা করেছে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হতয়ার চেষ্টা করছে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-বিএনপি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আজকের যে উন্নত বাংলাদেশ দেখছেন তা একমাত্র শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন বলেই সম্ভব হয়েছে। তিনি আমাদেরকে দিয়েছেন ডিজিটাল স্মার্ট বাংলাদেশ। ঘরে বসেই সকল সেবা পেয়ে যাচ্ছেন। অনলাইনে মোবাইল কম্পিউটারের মাধ্যমে ঘরে থেকেই কাজ সম্পাদন করতে পারছেন। এটাই উন্নত দেশ। তিনি বলেন, এসব উন্নয়ন নিয়ে বিএনপি- জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে। শুধু তাই নয়, পাঠ্যপুস্তক নিয়েও তারা নোংরা ষড়যন্ত্র করছে। তারা অপপ্রচার করছে বইয়ে ইসলাম বিরোধী কথা লিখা, বলছে বইয়ে নাকি লিখা আছে বানর থেকে মানুষ হইছে। সত্যি কথা হল বানর থেকে মানুষ হয় নাই। বলা হইছে বানরবাসী মানুষের পূর্ব পুরুষ না। তাহলে তারা মিথ্যা কথা বলতেছে। যেমন মিথ্যা বলছিল ১৯৫৪ সালে নৌকায় ভোট দিলে নাকি বিবি থাকবে না। এধরনের মিথ্যা অপপ্রচার এখনো তারা চালাচ্ছে। কিন্তু জনগণই তাদের এই অপপ্রচারের জবাব দিয়ে দিচ্ছে। নির্বাচনে আসলে তারা ভোট পায় না। জনগণ তাদের কেন ভোট দিবে? তাদের দলের কোন বৈধতা নেই। জিয়াউর রহমা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে একটি দল গঠন করছে, তা হল বিএনপি। তারা কিভাবে নির্বাচনে আসবে আর জনগণই বা কেন তাদের ভোট দিবে? তারা সবসময় নির্বাচন আসলেই জ¦ালাও পোড়াও করে। মানুষ মারে, জনগণের অর্থ সম্পদ নস্ট করে। তাই তাদের থেকে সর্তক থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়মী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন. বাংলাদেশকে যখন স্বপ্নের মাইলফলক স্পর্শ করার কাছে যাচ্ছে, ঠিক তখনই সরকারের উন্নয়ন ও সম্ভাবনাকে নসাৎ করতে সারাদেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে বিএনপি-জামায়াত। কারণ তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, উন্নয়ন ও সম্ভাবনাকে মেনে নিতে পারে না। তারা উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে তারা রাজনীতি করে না। তারা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে বিশ্বাসী, অন্যদিকে দেশরতœ শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উন্নয়ন, সমৃদ্ধির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তারা রাজনৈতি ছেড়ে সরকার হটানোর পরিকল্পনা করছে। তাই আমাদের সাবধানে থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, দেশের শান্তি শৃক্সখলা ও রাজনীতির পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হলে রাজপথে তাদেরকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। রাজনীতির নামে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। রাজপথে তাদেরকে সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্যে দেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুল, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস।
দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলম প্রধানের সভাপতিত্বে ও ভাপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিন মাস্টারের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, শহীদ উল্লাহ মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. রেজাউল করিম, উপজেলা যুবলীগ নেতা মিরাজ খালিদ, ছেংগারচর পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামান সরকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, জেলা মহিলা আওয়মীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহা বেগম, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য তাছলিমা আক্তার আঁখি, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ নেতা ওয়াজ কুরুনী, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক নূরনবী খান, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান খান প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা