October 17, 2026, 2:55 pm

চলমান শারদীয় দুর্গা উৎসবে খুলনার ৮ জেলায় এসআরবি’র তিন স্তরে নিরাপত্ত

শেখ মাহতাব হোসেন :
শারদীয় দুর্গা উৎসবকে সফল ও নির্বিঘ্ন করতে খুলনার ৮ জেলায় তিন স্তরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স এসআরবি। প্রথম স্তরে এসআরবি’র টহল দলগুলো পূজামণ্ডপ গুলো সরেজমিনে ভিজিট করে নিরাপত্তা বিধান করছে এবং শহর ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দ্বিতীয় স্তরে ফিল্ড এজেন্ট বা গোয়েন্দারা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এবং তৃতীয় স্তরে আমরা রিজার্ভ ফোর্স রাখা হয়েছে, যাতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা দ্রুত রেসপন্স করা যায়।

শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নগরীর ধর্মসভা মন্দিরে এক প্রেস ব্রিফিং এ এসআরবি-৬, খুলনার অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ এ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। গত ১০ অক্টোবর থেকে মহালয়ার মাধ্যমে এই দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে এবং আগামী ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজার কার্যক্রম শেষ হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপন আমাদের মূল লক্ষ্য।

নিস্তার আহমেদ আরো বলেন, এসআরবি ফোর্সেস সদর দপ্তর এর নির্দেশনা অনুযায়ী পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর থেকে আমরা আমাদের স্পেশাল টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ আটটি জেলার ৫৩৫৪ পূজা মণ্ডপে পূজার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আমরা পূজা মণ্ডপগুলোকে প্রথমে জেলা এবং পরে উপজেলা ভিত্তিক ভাগ করে প্রত্যেকটি উপজেলার জন্য নআমরা ফোকাল পয়েন্ট অফিসার নির্ধারণ করে দিয়েছি। বর্তমানে ফোকাল পয়েন্ট অফিসাররা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন টহল দল নিয়ে তাদের দায়িত্বাধীন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছে। প্রতিদিন দুপুরে এবং সন্ধ্যায় দুটি টহল টিম পুজা মন্ডপগুলোতে নজরদারীতে রাখছে। প্রতিটি টিমে ৮ জন সদস্য সহ মোট ১২৮ জন এসআরবি’র সদস্য প্রতিদিন টহলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গা উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে আমাদের এসআরবি সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয়ভাবে সাইবার মনিটরিং সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে আমাদের ব্যাটালিয়নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে নজরদারির মধ্যে রেখেছি, যেন অনলাইন প্লাটফর্মগুলোকে মনিটরিং এর মাধ্যমে কোনো একটি থ্রেড বা দূর্ঘটনা সংঘটিত হবার আগেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি।

ইতোমধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙখলার সকল বাহিনীর সমন্বয় মিটিং গুলো সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এছরও আয়োজক কমিটি, জনগণ, মিডিয়া ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তার সাথে নির্বিঘ্নে পূজা উৎসব সম্পন্ন করতে পারব।

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা