August 24, 2026, 6:38 pm

অনলাইন জুয়া ও বেটিং নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন, খসড়া অনুমোদন

দেশে জুয়া ও বেটিং নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইনটির খসড়া উপস্থাপন করা হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।
এতে বলা হয়েছে, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ হওয়ায় অনলাইন ও অফলাইন নানা ধরনের জুয়া কার্যক্রম বিস্তার লাভ করছে। ফলে জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থসামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধকল্পে এ সকল জুয়া কার্যক্রমের উপর সমসাময়িক উৎকর্ষিত প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করে যথাযথ তত্ত্বাবধান ও আইনগত কাঠামো প্রদানপূর্বক রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:

(ক) জুয়া খেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর (বুকমেকার), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। (খ) অপরাধের প্রকৃতি ভেদে বিভিন্ন ধরনের সাজার (অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয়দণ্ড) বিধান রাখা হয়েছে। পরে মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা