April 19, 2026, 9:17 am

দ্বিতীয় দিনেও কোয়ারান্টাইনে থাকা যাত্রীদের মাঝে খাবার বিতরন করল মেয়র লিটন

মো. রাসেল ইসলাম,শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি: ভারত থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে আসা ৬৫০জন কোয়ারেন্টাইনে থাকা পাসপোর্ট যাত্রীদের হাতে খাবার পোঁছে দেন বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

শুক্রবার (৭ মে) বেনাপোলের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল,চেকপোস্ট,ইমিগ্রেশন সহ কোয়ারেন্টাইনে থাকা সকল যাত্রীদের হাতে খাবার তুলে দিয়েছে বেনাপোল পৌরসভার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সেচ্ছাসেবীরা। বেনাপোল ইমিগ্রেশনে দায়িত্বে থাকা সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে খাবার পৌছে দেওয়া হয়।

ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীদের কাছে টাকা না থাকায় নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। এই মানুষগুলোর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

কোয়ারেন্টাইনে থাকা যাত্রীরা খাবার পেয়ে মেয়র লিটনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা