August 2, 2021, 10:14 pm

বিকাশের মাধ্যমে ব্র্যাকের সদস্যদের সঞ্চয় ফেরত ও জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ

শামীম আখতার বিভাগীয় প্রধান (খুলনা): মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশে কঠোর লকডাউন ও করোনা ভাইরাসের ক্রান্তিকালে ব্র্যাক অফিস বন্ধ থাকা সত্তে¡ও বিকাশের মাধ্যমে সদস্যদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত ও জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। কেশবপুর উপজেলায় ব্রাকের ৪টি শাখা অফিস সদস্যদের চাহিদা ও দুর্দিনের কথা বিবেচনা করে ৭০০ জন গরীব অসহায় সদস্যদের মাঝে বিকাশের মাধ্যমে সদস্যদের স্ঞ্চয়ের টাকা ফেরত দেওয়া হয়। গত মাসের ২৪ জুন (বৃহস্পতিবার) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন মাস্ক বিতরণ অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন।
ব্রাকের আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা গেছে, মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার অতিমাত্রাই বৃদ্ধি পাওয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক লকডাউন ঘোষণা করে বিভিন্ন বিধি নিষেধ আরোপ করেছেন। বর্তমানে লকডাউনে দেশে বহু মানুষের আয়ের রোজগারের সকল পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় আর্থিকভাবে চরম বিপাকে রয়েছেন নি¤œ আয় ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জনসাধারণ। দেশের এই ক্রান্তিকালে দিনমজুর, গরীব অসহায় সদস্যদের কথা চিন্তা করে ব্রাক অফিস বন্ধ থাকা সত্তে¡ও কেশবপুর উপজেলার ৪টি শাখা অফিস ২২০ জন গরীব অসহায় সদস্যদের বিকাশের মাধ্যমে সদস্যদের স্ঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিয়েছেন। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করা হয়। কঠিন দুর্দিনে অফিস বন্ধ থাকা সত্তে¡ও ব্রাকের এ ধরনের উদ্যোগকে সদস্যরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
কেশবপুর ব্রাক অফিসের সদস্য দেউলী গ্রামের সোনালী দাস ও ভোগতী গ্রামের আখি খাতুন বলেন, মহামারী করোনার সময় সঞ্চয়ের টাকা পেয়ে আমরা খুব খুশি। কঠিন দুর্দিনে টাকাগুলো পরিবারের জন্য কাজে লাগাতে পারবো। চলমান লকডাউনে অফিস বন্ধ থাকা সত্তে¡ও ব্রাকের এমন উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
এ ব্যাপারে যশোরের ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (দাবি) সিনচন পাল জয় ও এলাকা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, করোনাকালীন সময়ে অফিস বন্ধ থাকার পরও ৭০০ জন গরীব অসহায় সদস্যদের বিকাশের মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় ফেরত দেওয়া হয়েছে। সঞ্চয় ফেরতের টাকা হাতে পেয়ে সদস্যরা অনেক খুশি। এই কঠিন মুহূর্তে সদস্যদের সঞ্চয় ফেরতের টাকাগুলি অনেক উপকারে আসবে বলে মনে করছি। লকডাউন যদি দীর্ঘমেয়াদি হয় সেক্ষেত্রে বিকাশের মাধ্যমে আমাদের সদস্যদের সঞ্চয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকবে । এছাড়াও স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য উপজেলাব্যাপী ২ লক্ষ ২০ হাজার পিচ মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে৷

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা