August 24, 2026, 10:54 pm

অধ্যাক্ষ আলী আহাম্মেদ বিহীন খুলনা বিভাগের সাংবাদিক সমাজ ও আমরা সাতক্ষীরাবাসী

সাতক্ষীরা জেলা যখন মহুকুমা ছিল তখন যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই উন্নত ছিল না। দেশ স্বাধীন হওয়া, সামরিক সরকার বিরোধী আন্দোলন, শ্রমিকদের অধিকার। ছাত্র আন্দোলন ,ভাষা আন্দোলন, নানা বিধ পড়বে একজন বরেণ্য ব্যক্তির নামে শেষের পাতায় জায়গা করে নেয় ।মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে মমতাজউদ্দীন আহমেদ, যুদ্ধকালীন বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার ,ছাত্র আন্দোলনের নেতা হিসেবে ভাষা আন্দোলনের নেতা হিসেবে এ এফ এম এন্তাজ আলী শিক্ষক সমাজের অধিকার আদায়ে, শেখ আমানুল্লাহ সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে জীবন্ত কিংবদন্তী কাজী রিয়াজ অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ সহ অনেকের নাম চলে আসে। সাংবাদিক সমাজের নেতা হিসেবে আব্দুল মোত্তালেবের নাম সাতক্ষীরাবাসী দীর্ঘদিন মনে রাখবে। ভূমিহীন নেতা হিসেবে সাইফুল্লা লস্কর, অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিমের নাম সাতক্ষীরাবাসী অনেকদিন মনে রাখবে। কিন্তু দীর্ঘদিন কলেজে শিক্ষকতা করা ও বহুদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে খুলনা বিভাগের মাঝে শ্রদ্ধা ভালোবাসার জায়গায় যিনি স্থান করে নিয়েছেন তিনি অধ্যক্ষ আলী আহমেদ। তিনি শিক্ষার বাইরে পত্রিকায় দীর্ঘদিন লেখালেখি করেছেন।খুলনা বিভাগের সাংবাদিকদের দীর্ঘদিন অভিভাবক হিসেবে কাজ করেছেন শ্রদ্ধা ভালোবাসার সিক্ত হয়েছেন। প্রফেসর আলি আহামেদ গ্রামের বাড়ি কলারোয়ার মুরারীকাটি প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে কিছুদিনের জন্য ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন ।খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছিলেন একেবারেই সামনের সারিতে। কলারোয়া উপজেলার সুধীজনের সাথে সুন্দরবন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার যুক্তিকতা নিয়ে মতবিনিময় করেছিলেন। সাতক্ষীরা জেলায় অ্যাডভোকেট কাজী রিয়াজ আব্দুল আল হাবিব, প্রয়াত সাংবাদিক মহাসীন হোসেন বাবলু ,ন্যাপ নেতা প্রয়াত কাজী সাইদুর রহমান, জাসদের সারদার কাজেম আলী, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী সহ আরো অনেকের সাথে নিয়ে কয়েকবার সুন্দরবন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। সাতক্ষীরা জজ কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী ও আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ ভাই এ ব্যাপারে অনেকটা অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন ।আলি আহাম্মেদ স্যার তার কর্মময় জীবনের চঞ্চলিকর ইতিহাস দিয়ে আমাদেরকে সমৃদ্ধ করেছেন। বর্তমানে খুলনা বিভাগে সাংবাদিক জগতে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা সবাই তাকে সশ্রদ্ধ চিত্তে সম্বোধন করছে এমন বরেণ্য ব্যক্তি গিয়ে আমি গভীরভাবে শ্রদ্ধা জানায়।
ধন্যবাদান্তে
অধ্যাপক ইদ্রিস আলী
শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা