August 24, 2026, 7:56 pm

যশোরের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে উন্নত জাতের খেজুরের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু

শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা) আবাহমান বাংলার শীতের এক অনন্য ঐতিহ্য খেজুরের রস। যশোরের খ্যাতি খেজুর গাছ এবং খেজুরের রস দিয়ে। কথায় বলে ‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’। জেলার এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে কেশবপুর-মণিরামপুরের সীমান্তবর্তী নাগরঘোপ এলাকায় উন্নত জাতের খেজুর গাছের চারা রোপণ শুরু করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে ৩২ শতক জমিতে ১২০টি খেজুরের চারা রোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান।

আবাহমান বাংলার শীতের এক অনন্য ঐতিহ্য খেজুরের রস। মরুদেশ আরবের খ্যাতি যেমন খেজুর দিয়ে, তেমনি যশোরের খ্যাতি খেজুর গাছ এবং খেজুরের রস দিয়ে। কথায় বলে ‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’। এমনকি যশোর জেলাকে প্রতীকী অর্থে কোথাও উপস্থাপন করার সময় সেখানে খেজুর গাছের ছবি যশোরের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। জেলার এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে ৮ হাজার খেজুর গাছের চারা রোপণ করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রথম দিনেই নাগরঘোপ এলাকায় ৩২ শতক জমিতে ১২০টি উন্নত জাতের খেজুরের চারা রোপণের উদ্বোধন করা হয়।
উন্নত জাতের খেজুরের চারা রোপণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আহমেদ জিয়াউর রহমান, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত, মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ জাকির হাসান, খেজুর গাছ গবেষক প্রকৌশলী নাকিব মাহমুদ, কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিজিবুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনির হোসেন, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দিন আলা, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, ইউপি সদস্য রেহেনা ফিরোজ, আব্দুর রহিম প্রমুখ।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, যশোর জেলার খ্যাতি খেজুর গাছ এবং খেজুরের রস দিয়ে। কথায় বলে ‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’। জেলার এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে প্রাথমিকভাবে ৩২ শতক জমিতে খেজুর গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। সল্প সময়ের মধ্যে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি সাগরদাঁড়ি সড়কের দু’পাশ দিয়ে উন্নত জাতের আরও ৬ হাজার খেঁজুর গাছের চারা রোপণ করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা