বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ

জহিরুল ইসলামের অর্থপাচার অভিযোগের তদন্তে এক বছরের অগ্রগতি নেই

জহিরুল ইসলামের অর্থপাচার অভিযোগের তদন্তে এক বছরের অগ্রগতি নেই

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গত বছরের মার্চে জহিরুল ইসলাম ও তার ভাই মাঝহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে। সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন ছাড়া অন্তত তিনটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠার অভিযোগে এই অনুসন্ধান চলছে, তবে এখনো কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

জানা গেছে, তদন্ত কর্মকর্তা অবসরে যাওয়ার পর অনুসন্ধান কার্যক্রম থমকে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, সিঙ্গাপুরের স্টারসিড টেকনোলজি কোম্পানির প্রাথমিক মূলধন ছিল ৬০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৮ কোটি টাকার সমান। এই কোম্পানির মালিকানা দুই ভাইয়ের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হয়েছে এবং এটি তুরস্কের নাগরিক পরিচয় ব্যবহার করে নিবন্ধিত হয়েছে।

দুবাইয়ে আরও দুটি কোম্পানির তথ্য পাওয়া গেছে, সিমাল টেকনোলজি মিডল ইস্ট এবং টুইনমস টেকনোলজি মিডল ইস্ট, যেখানে জহিরুল ইসলামের মালিকানা ১৫ শতাংশ এবং মাঝহারুল ইসলামের ৮৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, জহিরুল ইসলামের বিদেশে ব্যবসা পরিচালনার কোনো অনুমোদন নেই এবং আয়কর নথিতে এসব কোম্পানি থেকে অর্জিত আয়ের কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি।

স্মার্ট টেকনোলজিস, যা নব্বইয়ের দশকে কম্পিউটার ব্যবসা দিয়ে শুরু হয়, বর্তমানে খাদ্য ও নির্মাণ খাতেও কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারিত্বের কথাও জানা যায়। তবে, জহিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অর্থপাচারের প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। এক বছর পার হলেও এই অনুসন্ধানের দায়িত্বে এখন কে আছেন, সেই প্রশ্নের জবাব এখনো মেলেনি।