August 24, 2026, 7:57 pm

ময়মনসিংহ–৭ (ত্রিশাল) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটনের মনোনয়নপত্র দাখিল

মোঃ আব্দুল কাদের স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ–৭ (ত্রিশাল)১৫২ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী, গণমানুষের নেতা ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর১২ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
তিনি ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় প্রাঙ্গণ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে—ত্রিশালে ধানের শীষই জনগণের একমাত্র আস্থার প্রতীক।
মনোনয়নপত্র দাখিলকালে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভুঁইয়া, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ত্রিশাল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুঞ্জুরুল ওয়াহেদ নিক্স, ত্রিশাল থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান শামীম, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুজ্জামান মৃধা, ত্রিশাল পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলেকচান দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মিলনসহ উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন বিএনপি এবং ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় নেতাকর্মীরা “ধানের শীষে ভোট দিন”, “ত্রিশাল বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাও”, “ডাঃ লিটন ভাই এগিয়ে চলো—ত্রিশাল তোমার সাথে” সহ বিভিন্ন স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণ, দমন-পীড়ন ও একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে ত্রিশালের মানুষ এবার রায় দিতে প্রস্তুত। ধানের শীষ হচ্ছে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। তাঁরা দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দেন—ত্রিশালের মাটি থেকে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, “ত্রিশালের মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পেতে প্রস্তুত। আমি রাজনীতি করি ক্ষমতার জন্য নয়—জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। ইনশাআল্লাহ, ঐক্যবদ্ধ জনগণের শক্তিতেই ধানের শীষ বিজয়ী হবে।”

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা