রাজশাহীর পবা উপজেলায় বাবা-ছেলের মারামারি থামাতে গিয়ে ইদ্রিস আলী নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের দাঁদপুর বাগিচাপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত ইদ্রিস আলী ওই এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় আবু বকর সিদ্দিকও গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমিতে ধান চাষের জন্য পাট কাটার সময় আলফাজ তার বাবার সামনে বিড়ি ধরায়। এতে বাবা আবু বকর সিদ্দিক ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে বকাঝকা করেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয়। ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী দাঁদপুর বাগিচাপাড়ার আক্তার ও মেরাজ তাদের কাজ ফেলে বাড়ি চলে যেতে বলেন। কিছুক্ষণ পর আবারও বাবা-ছেলের মারামারি শুরু হলে চাচা ইদ্রিস আলী তাদের থামাতে যান। এসময় আলফাজের হাঁসুয়ার কোপে তার বাবা আবু বকর সিদ্দিক ও চাচা ইদ্রিস আলী গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শী আক্তার বলেন, আমি তাদের মারামারি থামিয়ে বাড়ি যেতে বলেছি। কিন্তু তারা আবার মারামারি শুরু করলে ইদ্রিস চাচা থামাতে যান। তখনই হাঁসুয়ার আঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইদ্রিস আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত আলফাজ গত ২৩ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেন। তার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে।
পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন জানান, হাঁসুয়ার কোপে ইদ্রিস আলী নিহত এবং আবু বকর সিদ্দিক আহত হয়েছেন। অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।