যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের পাশে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ২১ বছর বয়সী নাসির বেস্টের নাম সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। সিএনএনের বরাতে সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র জানায়, বেস্ট এর আগেও সিক্রেট সার্ভিসের নজরে ছিলেন এবং একাধিকবার আটক হয়েছেন।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে তিনি হোয়াইট হাউসে প্রবেশের একটি নিরাপত্তা লেন আটকে দিয়ে নিজেকে ঈশ্বর দাবি করেন। ওই ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিস তাকে আটক করে এবং পরে ওয়াশিংটনের একটি মানসিক চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
এর পরের মাসেই তিনি আবারও হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাকে দ্বিতীয়বার আটক করা হয়। পরে আদালত তাকে হোয়াইট হাউস এলাকা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয়।
সূত্রগুলো আরও জানায়, তদন্ত চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিভ্রান্তিকর পোস্টের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে নিজেকে ‘আসল ওসামা বিন লাদেন’ দাবি করার ঘটনাও ছিল। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষতি করার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টও তিনি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যার পর হোয়াইট হাউস সংলগ্ন সেভেনটিন্থ স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় বেস্ট একটি ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করে গুলি চালান।
এ সময় সিক্রেট সার্ভিস সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। ঘটনায় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ছিলেন। সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে ছিলেন এবং তার কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে এবং এপ্রিল মাসেও হোয়াইট হাউস সংলগ্ন এলাকায় পৃথক নিরাপত্তা লঙ্ঘন ও গুলির ঘটনা ঘটেছিল।