শামীম আখতার মুকুলের পাঠানো তথ্য ও ভিডিও চিত্রে বিস্তারিত: কেশবপুরে দক্ষিণ বঙ্গের উন্নয়নের কারিগর, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য তরিকুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে কেশবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ওই স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ।
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম শহীদ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দীন আলা, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মাসুদুজ্জামান মাসুদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামসুল আলম বুলবুল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মেহেদী বিশ্বাস, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আজিজুর রহমান আজিজ।
স্মরণ সভা শেষে সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলাম এর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা খলিলুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন কবির সুমন, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম অটল, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার কেএম খলিলুর রহমান, সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম, সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহাতুল ইসলাম সুজনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, সেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
উল্লেখ্য, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের কারিগর, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ২০১৮ সালের (৪ নভেম্বর) এই দিনে ঢাকায় অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুকালে তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের অসংখ্য গায়েবি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতির কথা উঠলেই যার নাম সর্বাগ্রে স্মরণে আসে তিনি হলেন তরিকুল ইসলাম। তিনি বিএনপির রাজনীতির পুরোধা ব্যক্তিত্ব। সফল রাজনীতি ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি দুইয়ের সাফল্যে তিনি হয়ে ওঠেন এ অঞ্চলের জনমানুষের জননেতা। তাঁকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত বা বিএনপি সরকার গঠন করলে যশোরের মানুষ কখনও বঞ্চিত হয়নি। কেননা জন্মভূমি যশোরকে নিয়ে তিনি স্বপ্ন দেখতেন এবং স্বপ্ন দেখাতেন। তারই হাত ধরে যশোরবাসী উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে পেরেছে। উন্নয়নের কথা উঠলেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন তরিকুল ইসলাম। যার কারণে দলমত নির্বিশেষে যশোর জেলার মানুষ তাঁকে বারংবার শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। এই মহান নেতার মৃত্যুর পরেরদিন ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর যশোর ঈদগাহ ময়দানে জানাজা নামাজ জনসমুদ্রে পরিনত হয়েছিল। জননেতার চিরপ্রস্থান ঘটেছিল গণজোয়ারের মধ্যে দিয়ে।