বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ২৩, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ২২, ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ

ভাড়া নিয়ে বিরোধ, পাঁচ দিন ধরে নারায়ণগঞ্জ সাইলো থেকে খাদ্যশস্য পরিবহন বন্ধ

ভাড়া নিয়ে বিরোধ, পাঁচ দিন ধরে নারায়ণগঞ্জ সাইলো থেকে খাদ্যশস্য পরিবহন বন্ধ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :

খাদ্যশস্য পরিবহনের ভাড়া নিয়ে ঠিকাদার ও পরিবহন শ্রমিকদের বিরোধে গত পাঁচ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে নারায়ণগঞ্জ সাইলো থেকে চাল, গমসহ সরকারি খাদ্যশস্য পরিবহন। এতে সরকারি খাদ্য সরবরাহ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সাইলো কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও পরিবহন পরিচালনার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ভাড়া সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিকেরা। তবে সরকারি দরপত্রে নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে রাজি নন ঠিকাদাররা। এ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

বাংলাদেশ আন্তজেলা ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ও মিনি ট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাইলো শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান লিপু বলেন, জ্বালানি ও পরিবহন পরিচালনার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান ভাড়ায় গাড়ি চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যৌক্তিকভাবে ভাড়া সমন্বয়ের দাবি জানানো হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে দ্রুত পরিবহন কার্যক্রম স্বাভাবিক করার আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় খাদ্য সরবরাহ ঠিকাদার সমিতির সভাপতি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল হাই রাজু বলেন, সরকারি দরপত্রে নির্ধারিত দর ও বাজেটের বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া দেওয়া ঠিকাদারদের পক্ষে সম্ভব নয়।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে তাঁরা মনে করছেন। তাঁর ভাষ্য, সাইলো ও বিশ্ব খাদ্যগুদাম সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এসব স্থান থেকে খাদ্যশস্য সরবরাহ বন্ধ রাখা কাম্য নয়। পরিস্থিতির প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দ্রুত পরিবহন চালু করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সাইলো অধীক্ষক মো. রিয়াজুল আলমের বক্তব্য জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি কার্যালয়ে গিয়ে বক্তব্য নিতে বললেও পরে একাধিকবার ফোন করা হলে তা ধরেননি। একপর্যায়ে ফোন রিসিভ করে ব্যস্ততার কথা জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, এ ঘটনায় এক পক্ষ থানায় অভিযোগ করেছিল। পুলিশের একজন উপপরিদর্শক (এসআই) শাহআলম সেখানে গিয়েছিলেন। তাঁর জানা মতে, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।