বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ২৩, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ২২, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ

বকশীগঞ্জে ভিডিও করায় বাধা দেওয়ায় হামলা, আহত ৭

বকশীগঞ্জে ভিডিও করায় বাধা দেওয়ায় হামলা, আহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে বাধা দেওয়ার জেরে একই পরিবারের সাতজনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নূর ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বালুগ্রাম গ্রামের আব্দুর রশিদের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী শাহ আলমের পরিবারের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন নূর ইসলামসহ পরিবারের সদস্যরা নিজেদের মরিচ খেতে পানি দিচ্ছিলেন। এ সময় শাহ আলমের স্ত্রী মোবাইলে ভিডিও ধারণ করছিলেন বলে অভিযোগ। আব্দুর রশিদের পরিবারের সদস্যরা তাতে বাধা দিলে উত্তেজিত হয়ে শাহ আলমের পরিবারের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

হামলায় ৭ জন আহত হন। গুরুতর আহত তিনজনকে প্রথমে বকশীগঞ্জ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জামালপুর সদর হাসপাতাল হয়ে ময়মনসিংহ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে রুস্তম আলী (৩৫) ও আলমাস আলী (৩৫) ময়মনসিংহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নূর ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন: শাহ আলম, সোনা মিয়া, আকরাম হোসেন, আমজাদ আলী, হযরত আলী, রাজা মিয়া, আক্তার হোসেন, আব্দুল্লাহ, শাকিল মিয়া, বাবু মিয়া, ফকির আলী, আকিত মিয়া, হুনুয়া বেগম, শাহানা বেগম ও ধুলি বেগম।

বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, মামলার আসামি সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

বাদী আব্দুর রশিদ জানান, হামলাকারীরা একই সময় মরিচের চারা ভেঙে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। এখন মামলা তুলে নিতে তাঁদের নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। মামলা না তুললে খুন-জখমের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।