জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর: শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা নবমী উপলক্ষে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৭ নম্বর মনোহরপুর ইউনিয়নের কাচারিবাড়ি সর্বজনীন দুর্গামন্দির ও কপালিয়া ঘোষবাড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মেহেদী হাসান সুমন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বক্তব্য এবং আরতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করেন।
গতকাল মঙ্গলবার মহা নবমীর শুভ তিথিতে প্রথমে মনোহরপুর কাচারিবাড়ি সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে যান মেহেদী হাসান সুমন। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময়ের পর তিনি কপালিয়া ঘোষবাড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সেখানেও উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
দুই পূজামণ্ডপেই আরতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করেন তিনি। তাঁর এ উদ্যোগকে ব্যতিক্রমী হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান আনন্দের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারে।
এ সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও এলাকার উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মেহেদী হাসান সুমন বলেন, একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও উন্নত মনোহরপুর ইউনিয়ন গড়তে তিনি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত ও সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করে সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা তাঁর লক্ষ্য।
তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
স্থানীয়দের মতে, ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের সম্মাননা প্রদান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের এ উদ্যোগ মেহেদী হাসান সুমনের জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে নির্বাচনে তাঁর জনসমর্থনের প্রকৃত চিত্র ভোটের সময়ই স্পষ্ট হবে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
দুই পূজামণ্ডপে মেহেদী হাসানের শুভেচ্ছা বিনিময়, আরতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের সনদ ও পুরস্কার প্রদান
