বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ২১, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এখন পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে তার প্রশাসন। অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদারের মধ্যে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের গতি আরও বেড়েছে। গত ১০ আগস্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুতগতিতে বেশি ভিসা বাতিল করেছে।

তিনি বলেন, ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের আইন লঙ্ঘন, জালিয়াতি কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টির বিষয়ে প্রশাসন কোনো ছাড় দেবে না।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও বহিষ্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। তবে মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। পাশাপাশি জাতিগত সংখ্যালঘুদের হয়রানির আশঙ্কাও বাড়ছে।

সমালোচিত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনপন্থী বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিল এবং রক্ষণশীল ভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করায় বিদেশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

এ ছাড়া বিদেশি বিক্ষোভকারীদের বহিষ্কারের উদ্যোগের পাশাপাশি অভিবাসী ও ভিসাপ্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম যাচাই-বাছাই আরও কঠোর করেছে প্রশাসন।

মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে সরকার সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করছে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন জালিয়াতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মতো অভিবাসী গোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক নজরদারি ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার প্রশাসনের পদক্ষেপে বৈধ অভিবাসনের পথও কঠিন হয়ে উঠেছে। এর উদাহরণ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসার ক্ষেত্রে উচ্চ ফি আরোপের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স