বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ২০, ২০২৬, ২:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ

চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা

চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচন নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার পর অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, বর্তমানে কমিশন ইউপি নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। এ নির্বাচন শেষ হলে অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। আপাতত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। তবে এটি তার ব্যক্তিগত মতামত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নির্ধারণে আবহাওয়া এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হচ্ছে বলে জানান মাছউদ। বিভিন্ন কারণে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলেও জানান তিনি।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

তফসিল ঘোষণার সময় সম্পর্কে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হবে। এখনো তফসিল ঘোষণা না হওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর সময় আসেনি।

নির্বাচনী আইন পরিবর্তন না করেও সেনাবাহিনী মোতায়েনের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মাছউদ বলেন, আইন পরিবর্তন না করেও কমিশনের সেনাবাহিনী মোতায়েনের এখতিয়ার রয়েছে।

ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম ধাপের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী ধাপে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানানোর বিষয়েও কথা বলেন তিনি। মাছউদ জানান, বর্তমানে ইউপি নির্বাচন নিয়ে কাজ চলায় অন্য নির্বাচনগুলোর বিষয়ে এখনই বিস্তারিত পরিকল্পনা করা সম্ভব হচ্ছে না। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।