বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ

হরমুজ প্রণালির কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ডুবল দুই জাহাজ, নিহত ১

হরমুজ প্রণালির কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ডুবল দুই জাহাজ, নিহত ১

হরমুজ প্রণালির কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ডুবে গেছে। এতে এক নাবিক নিহত হয়েছেন। অপর জাহাজের ২১ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ডুবে যাওয়া জাহাজ দুটি হলো সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী কনটেইনারবাহী জাহাজ ‘জিএফএস প্রাইড’ এবং অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার পতাকাবাহী শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ ‘কেপ দাও’।

সিঙ্গাপুরের মেরিটাইম অ্যান্ড পোর্ট অথরিটি (এমপিএ) জানায়, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় জিএফএস প্রাইড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে জাহাজটিতে আগুন ধরে গেলে সেটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় জাহাজটির ২১ জন নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। কেউ আহত হননি।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের নৌপরিবহন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেপ দাও। পরে জাহাজটি হরমুজ প্রণালির কাছে ডুবে যায়। এ ঘটনায় একজন নাবিক নিহত হন।

আইএমওর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জাহাজ দুটি ওই এলাকায় ডুবে যাওয়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় বাণিজ্যিক জাহাজ।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের এমপিএ। সংস্থাটির মতে, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মারিস্কস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি এখনো রয়েছে। এ ঝুঁকি শুধু তেলবাহী ট্যাংকারে সীমাবদ্ধ নয়, কনটেইনার ও শুকনো পণ্যবাহী জাহাজও হামলার শিকার হচ্ছে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের চেষ্টা করছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার জবাবে হামলা বাড়ানোর কথাও জানিয়েছে তেহরান। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সূত্র: রয়টার্স