বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ১৩, ২০২৬, ৭:১১ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ১১, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ

প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাজধানীর মতিঝিলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যালয় ঘেরাও করেছে জাতীয় যুবশক্তি। এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই যুব সংগঠন। রোববার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

যুবশক্তির দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, দায়ীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করা, নিয়োগে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা এবং ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি ও ভাইভার নম্বর নিয়ে কারসাজি বন্ধ করা। পাশাপাশি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও যুব উন্নয়নে সরকারের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রকাশের দাবি জানানো হয়।

ঘেরাও কর্মসূচিতে যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে কার্যকর কোনো পরিকল্পনা দেখাতে পারেনি। এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে বিএনপি ‘এক কোটি চাঁদাবাজ তৈরি করেছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তারিকুল ইসলাম বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচি থাকলেও সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেগুলো সচল করতে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। চাকরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে তরুণদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নিয়োগ পরীক্ষার আগের রাতেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের তথ্য প্রকাশ্যে এলেও পরীক্ষা শুরুর আগে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে দাবি করেন তারিকুল। তাঁর মতে, এ ঘটনায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

যুবশক্তির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল অভিযোগ করেন, বিএনপি দ্রুত আওয়ামী লীগের মতো হওয়ার চেষ্টা করছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নিয়োগ পরীক্ষায় আরও অনিয়মের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাঁর সন্দেহ, নিয়োগে ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের কারণে প্রশ্নপত্র ফাঁসের তথ্য প্রকাশ্যে আসতে পারে। অন্যথায় ঘটনাটি সামনে আসত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।