বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ১১, ২০২৬, ৫:১০ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ১০, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ

নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখতে পূজামণ্ডপে ডিসি জাহিদ

নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখতে পূজামণ্ডপে ডিসি জাহিদ

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ :
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সামনে রেখে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। আজ শনিবার উপজেলার ফটিকা সর্বজনীন পূজামণ্ডপে গিয়ে তিনি সিসিটিভি ক্যামেরা, প্রতিমা তৈরির অগ্রগতি ও দর্শনার্থীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এবার চট্টগ্রামে ২ হাজার ৫৯৩টি স্থানে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে। এর মধ্যে মহানগরে ২৭১টি এবং ১৫টি উপজেলায় ২ হাজার ৩২২টি। মোট আয়োজনের মধ্যে ১ হাজার ৯০৯টি সর্বজনীন পূজা ও ৬৮৪টি ঘটপূজা রয়েছে।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সমন্বয় সভা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলায় একটি মনিটরিং গ্রুপও গঠন করা হয়েছে।

দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শুধু মণ্ডপের সাজসজ্জা নয়, দর্শনার্থীরা যাতে নিরাপদে এসে আরতিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আয়োজকেরা হয়তো এক মাস পরিশ্রম করে একটি অনুষ্ঠান সাজান। কিন্তু অনেক দর্শনার্থী এক বছর ধরে সেই অনুষ্ঠান দেখার অপেক্ষায় থাকেন। তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলে আয়োজনের সার্থকতা থাকে না।’

সরকারি সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে চালের বরাদ্দ ১০০ কেজি করে বাড়ানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ‘রেইনবো নেশন’ ধারণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সতর্ক করে জেলা প্রশাসক বলেন, এক এলাকার ঘটনার ছবি বা ভিডিও অন্য এলাকার ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়। তাই তথ্য প্রকাশের আগে সত্যতা যাচাই করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতেও সবার সহযোগিতা চান তিনি।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।