বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ৮, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ৭, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ

সার ডিলার নিয়োগে ৩০-৩৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ সারজিসের

সার ডিলার নিয়োগে ৩০-৩৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ সারজিসের

ইউনিয়ন পর্যায়ে সার ডিলার নিয়োগে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (৭ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সারজিস আলমের দাবি, প্রতিটি ইউনিয়নে নতুন করে এক বা একাধিক সার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের মাধ্যমে এসব প্রাথমিক তালিকা জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে। তবে ওই তালিকা তৈরিতে উপজেলা বিএনপির নেতাদের প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ততা বা লবিং না থাকলে যোগ্য ও নির্দলীয় ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান পাওয়ার সুযোগ থাকছে না। একই সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতারা নিজেদের পাশাপাশি স্ত্রী, ভাই-বোন ও বাবা-মায়ের নামে ডিলারশিপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সারজিসের দাবি, স্থানীয় পর্যায়ে একটি সার ডিলারশিপের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার দর উঠেছে। তার ভাষ্য, ডিলারশিপ পেতে কেউ বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করলে পরে সেই টাকা তুলে নিতে অনিয়ম ও অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতা তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে কৃষকদের ওপর।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে ডিলারশিপ পাওয়ার পর কেউ কেউ অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারেন। এতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বাড়িয়ে জনগণের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সারজিস আলমের অভিযোগ, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরকারও সিন্ডিকেটের কাছে নতি স্বীকার করছে এবং এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। তবে তার এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।