ডেস্ক:
৪৯তম বিসিএসে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশপ্রাপ্ত আরও ৪০ জন প্রার্থীকে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে দ্বিতীয় দফায় এ নিয়োগের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় ৪৯তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও অনেকে চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়ায় প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনের অজুহাতে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ নিয়ে সুপারিশপ্রাপ্তরা আন্দোলনে নামেন। একপর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী ও পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী রাজু ভাস্কর্যে প্রকাশ্যে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মাহুতির ঘোষণা দিলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ১ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো প্রার্থীর সঙ্গে বৈষম্য করা হবে না। অবশিষ্ট সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন দ্রুত প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ৪৯তম বিসিএসে পিএসসি মোট ৬৬৫ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল। তাদের মধ্যে আটজন স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নেননি এবং তিনজন নির্ধারিত সময়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজনীয় সনদ জমা দিতে পারেননি। ফলে ৬৫৭ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। এর মধ্যে প্রথম দফায় ৬১১ জনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।
নতুন প্রজ্ঞাপনে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪০ কর্মকর্তাকে আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বিকল্প কোনো নির্দেশনা না থাকলে নির্ধারিত তারিখেই তাদের যোগদান সম্পন্ন করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ যোগদান না করলে তাকে চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছুক হিসেবে গণ্য করা হবে। একই সঙ্গে তার নিয়োগপত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

