হামলার আশঙ্কায় যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (৪ অক্টোবর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পেন্টাগনের এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকা সব মার্কিন বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ঘাঁটিতে ফিরে গেছে। তবে বি-১, বি-২ ও বি-৫২ বোমারু বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকেই বিশ্বের যেকোনো স্থানে নির্ভুল হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।
লন্ডন থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি গত সাত মাস ধরে ইরানবিরোধী অভিযানে মার্কিন বোমারু বিমানের ট্রানজিট ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি ঘাঁটিটিকে লক্ষ্য করে ইরান-সংশ্লিষ্ট হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ ওঠার পর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঘাঁটির কাছে বিস্ফোরক স্থাপনের চক্রান্তের সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ পুলিশ। ইরান অভিযোগ অস্বীকার করার পর পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় পরদিন তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তদন্ত এখনো চলছে।
এরপর গত বৃহস্পতিবার লন্ডনে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী এক যুক্তরাজ্য-ইরান দ্বৈত নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইঙ্গিত দিয়েছেন, ওই ষড়যন্ত্রে ইরানের ভূমিকা থাকতে পারে। তবে কাউন্টার টেররিজম পলিসিংয়ের সিনিয়র ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর ভিকি ইভান্স জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনায় নিয়ে জটিল তদন্ত চলছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রেপ্তারের ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অভিযুক্তরা মার্কিন স্থাপনার ‘বড় ক্ষতি’ করার চেষ্টা করছিল। এ ঘটনায় যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান।
এর আগে গত মার্চে যুক্তরাজ্য সরকার মার্কিন বাহিনীকে ফেয়ারফোর্ড ও ডিয়েগো গার্সিয়াসহ কয়েকটি ঘা

