বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ৩, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ

বিমান ভেঙে পড়া ঠেকালেন যাত্রী, পাইলটের আসনে বসে কন্ট্রোল টানেন মিস্ত্রি

বিমান ভেঙে পড়া ঠেকালেন যাত্রী, পাইলটের আসনে বসে কন্ট্রোল টানেন মিস্ত্রি
যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও ইয়ানিভ হাইয়ুন। ছবি: সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেলআবিবগামী একটি বিমান ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, উড্ডয়নের পর বিমানের ক্যাপ্টেনকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত বা ছুরিকাঘাত করে বিমানটি ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছিলেন কো-পাইলট।

ঘটনার সময় কয়েকজন যাত্রীর উপস্থিত বুদ্ধিমত্তায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন ইয়ানিভ হাইয়ুন নামের এক মিস্ত্রি। পেশাগতভাবে বিমান চালানোর কোনো প্রশিক্ষণ না থাকলেও পরিস্থিতির সময় তিনি ককপিটে ঢুকে পাইলটের আসনে বসেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে দ্য সান জানিয়েছে, পাইলটদের ধস্তাধস্তির সময় হাইয়ুন ককপিটে গিয়ে দেখতে পান ক্যাপ্টেন রক্তাক্ত অবস্থায় দরজার সামনে পড়ে আছেন। যাত্রীরা দ্রুত তাকে সরিয়ে ককপিটে প্রবেশ করেন এবং হামলাকারী কো-পাইলটকে নিয়ন্ত্রণে নেন।

এরপর বিমানটি খাড়াভাবে নিচের দিকে নামতে থাকলে হাইয়ুন পাইলটের আসনে বসে বিমানের কন্ট্রোল পেছনের দিকে টেনে ধরেন। এতে বিমানটি ফের নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে একজন অফ-ডিউটি পাইলট দায়িত্ব নিয়ে বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করান।

হাইয়ুন জানান, বিমান চালানোর বিষয়ে তার ধারণা মূলত টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখে পাওয়া। ঘটনার দিন সৌদি আরব থেকে ইসরায়েলে ফেরার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দেখা করেন। নেতানিয়াহু তাকে কীভাবে বিমানটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন তা জানতে চাইলে হাইয়ুন বলেন, তিনি বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠান দেখেন এবং সেখান থেকেই কিছু বিষয় জেনেছেন।

ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে হাইয়ুনকে অনেকে ‘হিরো’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।