বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ১, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ১, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ

‘আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ছিলাম না, ছাত্রশিবির করতাম’

‘আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ছিলাম না, ছাত্রশিবির করতাম’
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ভগ্নিপতি ও কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হামিদ লতিফ ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ভগ্নিপতি ও কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হামিদ লতিফ ভূঁইয়া দাবি করেছেন, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। বরং তিনি ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে জুলাই আন্দোলনের সময়ের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানিতে এ দাবি করেন তিনি।

আদালতের অনুমতি নিয়ে লতিফ ভূঁইয়া বলেন, ‘আসাদুজ্জামান খান কামাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আর আমি ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে তিনি দুটি মামলা করেছিলেন। তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক থাকলে তিনি কেন তার বাসায় যেতেন না, সে প্রশ্নও তোলেন লতিফ ভূঁইয়া।

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাটারা এলাকায় শামিম মিয়াকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় লতিফ ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান।

লতিফ ভূঁইয়ার আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সোহাগ বলেন, তিনি এক বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রয়েছেন। দুটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর মুক্তির অপেক্ষায় থাকতেই নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। আইনজীবীর দাবি, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাইয়ের ঘটনার মামলা করা হয়েছে ২০২৫ সালে এবং ২০২৬ সালে এসে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ দাবি করেন, লতিফ ভূঁইয়া সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পিএস ছিলেন এবং জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থায়ন করেছেন। তদন্তে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।

শুনানি শেষে আদালত লতিফ ভূঁইয়াকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভাটারা থানার একশ ফুট এলাকা থেকে আন্দোলনকারীরা শাহবাগের দিকে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা ও গুলি চালানো হয়। এতে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। আন্দোলনকারীদের উদ্ধার করতে গেলে শামিম মিয়ার বুক, ঠোঁট, গাল ও মাথায় গুলি লাগে। পরে চিকিৎসা শেষে তিনি ভাটারা থানায় মামলা করেন।