বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: নভেম্বর ৬, ২০২৬, ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ১, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন, রমজানের আগে ২ হাজার ভোটের পরিকল্পনা

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন, রমজানের আগে ২ হাজার ভোটের পরিকল্পনা
জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপে নির্বাচন শুরু হলে রমজানের আগে তিনটি ধাপে প্রায় ২ হাজার ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রথম ধাপের নির্বাচন হলে তার ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। নভেম্বর-ডিসেম্বরে পাবলিক পরীক্ষা থাকায় শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে বছরের শুরুতে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের চিন্তা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

ইসি মাছউদ বলেন, ইউপি নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি একটি চলমান প্রক্রিয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী আরও প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

তিনি জানান, রমজানের আগে একাধিক ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। রমজানের পর আবার নির্বাচন শুরু করে জুনের মধ্যে সব ইউপি নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে রমজানের পর এসএসসি পরীক্ষা থাকায় পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী ধাপের সময় নির্ধারণ করা হবে।

ইসি সূত্রে জানা যায়, ইউপি নির্বাচন শেষ করার পর পর্যায়ক্রমে পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই ভালো নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করবে কমিশন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রস্তুতি সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার বিষয়ে আশ্বাস পাওয়া গেছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই কাজ শুরু করবে কমিশন।

তিনি আরও বলেন, শুরুতেই ইউপি নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন মনে করছে না কমিশন। তবে প্রথম ধাপের নির্বাচন শেষে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাতীয় নির্বাচনের মতো ইউপি নির্বাচনও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বলে জানান এই নির্বাচন কমিশনার। তাঁর মতে, এলাকাভিত্তিক ও ধাপে ধাপে নির্বাচন হওয়ায় অনিয়ম, সংঘাত ও সহিংসতা যতটা সম্ভব কমিয়ে আনার চেষ্টা করবে কমিশন।