বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: অক্টোবর ১, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ প্রকাশ: অক্টোবর ১, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

জ্বালানি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি

জ্বালানি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বঙ্গভবনে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে অস্ট্রেলিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সুযোগ তৈরির প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চান তিনি।

রাষ্ট্রপতি অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা প্রযুক্তি, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশের কর্মশক্তির দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভারসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাতে অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারে অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহের কথা জানান।